ভূমিকা: ব্যাপারটাতে কিছুতেই স্বস্তি পাচ্ছিনা।
আল্লাহ তায়ালা তো আমাদেরকে পবিত্র কালামে হাক্বিমে অত্যন্ত সুস্পস্টভাষায় সতর্ক করে দিয়েছেন এভাবে: হে ঈমানদারগন তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে নিজেরাও বাচ পরিবার পরিজন (বন্ধু)দেরকেও বাচাও।
ইনশাআল্লাহ: আল্লাহতায়ালা আমাকে তাঁর নেয়ামত স্বরুপ অতি সামান্য যে জ্ঞানটুকু দিয়েছেন তার সদ্ব্যাবহার করতে নিজের আত্মসংশোধন ও ভার্চুয়াল/ বাস্তবের বন্ধুজনদেরকে সতর্ক করতে ধারাবাহিক কয়েক পর্বে পবিত্র কোরআন ও বিশুদ্ধ হাদীসের রেফারেন্স ভিত্তিক 'পরনিন্দা, পশ্চাতসমালোচনা, গীবত ও চোগলখুরি' সম্পর্কিত ডিটেইল আলোচনা তুলে ধরার চেস্টা করব।
জ্ঞানী বন্ধুদের কাছে সার্বিক (অনিচ্ছাকৃত ভূলের) সমালোচনা (তত্ব ও তথ্য দিয়ে) সহযোগিতা ও অনুসন্ধিৎসু জনদেরকাছ থেকে উদ্ভুত যে কোন প্রশ্ন সবিনয়ের সাথে কামনা করছি।
-----ওয়া মাত্তাওফিক্বিইল্লা বিল্লাহ।
[ দুনিয়াতে সবচেয়ে কঠিনকাজ হচ্ছে নিজের সংশোধন আর সবচেয়ে সহজ কাজ অন্যের সমালোচনা করা। হযরত আলী (রা:)]
এ কেমন অভিশপ্ত সমাজ চিন্তায় আচ্ছন্ন হয়ে আছি আমরা ? কতটা অবলিলায় কত স্বত:স্ফূর্তভাবেইনা আমরা পবিত্র কোরআন হাদীস ঘোষিত ‘ভয়ংকর শাস্তিযোগ্য ও ধ্বংস অনিবার্য একটা সম্প্রদায়' হওয়া নিজেদের জন্যে ওয়াজিব বানিয়ে নিচ্ছি ঘরে-বাইরে, আড্ডা-আলোচনায়, রাজনীতিতে মিডিয়ায় 'এইতো সামান্য এক্টু মজা নেয়া'র নামে। হায় আফসুস।

Let
me discuss the issue detail:
এইতো সেদিন আমরা সমমনা কয়েকজন বন্ধু (প্রসঙ্গত বলে রাখা ভাল সবাই ব্যাক্তিজীবনে কমবেশী ইসলামি নীয়ম কানুন অনুশীলনকারী এবং আলহামদুলিল্লাহ সকলেই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় মাস্টার্স/সমমানডিগ্রিধারি।) এক জায়গায় বসে তুমুল আড্ডা দিচ্ছিলাম।
পুরনো বন্ধুরা বহুদিন পর একসাথে হলে যা হবার তাই হল। ব্যাক্তিজীবন, চাকুরি, বিয়ে-শাদী, অতীত-বর্তমান থেকে শুরু করে দেশ-বিদেশ, রাজনীতি-সরকার হেন কোন বিষয় নেই যা উঠে আসেনি আমাদের আলোচনায়।
হঠাত করেই একজন আমাদেরই এক অপছন্দের ক্লাসমেট এর প্রসঙ্গ উঠাল। যে বিয়ে করেছে নিজের চেয়ে ৮ বছরের বড় এক ভদ্রমহিলাকে। এটা সে কেন করেছে, কি লোভে করেছে হেন তেন। এক কথা দুই কথা দিয়ে শুরু হয়ে আড্ডাসভা যেন এক পর্যায়ে পরিণত হল এক উচ্চমার্গিয় সমালোচনা সভায়। সেখানে কে কার চেয়ে কত হাস্যরসাত্মক কটুবাক্যে ছেলেটির গুষ্ঠি উদ্ধার করতে পারছে এ যেন তার উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা।
আমি নিশ্চিত করেই বলতে পারি, আমার অনুপস্থিতিতে কেউ যদি এভাবে আমার সমালোচনা করে আর আমি নিজ কানে কোনভাবে এইসব শুনতেপাই নির্ঘাত স্ট্রোক করব অথবা রাগে ক্ষোভে ক্রোধোন্মত্ত হয়ে উপস্থিত দুই চারজনের নাক ফাটিয়ে হসপিটালাইজড করব।
বন্ধুমহলে যথেষ্ট ঠান্ডা মেজাজ আর ধীরস্থির বলে পরিচিত এই আমার মানসিক অবস্থাই যদি এমনটা হয়, আমার জায়গায় অনুপস্থিত কাউকে বসিয়ে তার তুমুল সমালোচনায় আমি/আমরা কি করে তবে নির্লিপ্ত থাকতে পারি অথবা মজা নিতে পারি?
স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা যেখানে পবিত্র কালামে হাক্বীমে অত্যন্ত দ্ব্যার্থহীন ভাষায় ধিক্কার দিয়েছেন এভাবে:
পুরনো বন্ধুরা বহুদিন পর একসাথে হলে যা হবার তাই হল। ব্যাক্তিজীবন, চাকুরি, বিয়ে-শাদী, অতীত-বর্তমান থেকে শুরু করে দেশ-বিদেশ, রাজনীতি-সরকার হেন কোন বিষয় নেই যা উঠে আসেনি আমাদের আলোচনায়।
হঠাত করেই একজন আমাদেরই এক অপছন্দের ক্লাসমেট এর প্রসঙ্গ উঠাল। যে বিয়ে করেছে নিজের চেয়ে ৮ বছরের বড় এক ভদ্রমহিলাকে। এটা সে কেন করেছে, কি লোভে করেছে হেন তেন। এক কথা দুই কথা দিয়ে শুরু হয়ে আড্ডাসভা যেন এক পর্যায়ে পরিণত হল এক উচ্চমার্গিয় সমালোচনা সভায়। সেখানে কে কার চেয়ে কত হাস্যরসাত্মক কটুবাক্যে ছেলেটির গুষ্ঠি উদ্ধার করতে পারছে এ যেন তার উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা।
আমি নিশ্চিত করেই বলতে পারি, আমার অনুপস্থিতিতে কেউ যদি এভাবে আমার সমালোচনা করে আর আমি নিজ কানে কোনভাবে এইসব শুনতেপাই নির্ঘাত স্ট্রোক করব অথবা রাগে ক্ষোভে ক্রোধোন্মত্ত হয়ে উপস্থিত দুই চারজনের নাক ফাটিয়ে হসপিটালাইজড করব।
বন্ধুমহলে যথেষ্ট ঠান্ডা মেজাজ আর ধীরস্থির বলে পরিচিত এই আমার মানসিক অবস্থাই যদি এমনটা হয়, আমার জায়গায় অনুপস্থিত কাউকে বসিয়ে তার তুমুল সমালোচনায় আমি/আমরা কি করে তবে নির্লিপ্ত থাকতে পারি অথবা মজা নিতে পারি?
স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা যেখানে পবিত্র কালামে হাক্বীমে অত্যন্ত দ্ব্যার্থহীন ভাষায় ধিক্কার দিয়েছেন এভাবে:
وَيْلٌ
لِّكُلِّ هُمَزَةٍ لُّمَزَةٍ
#১) ধ্বংস অনিবার্য ঐ(সব) ব্যাক্তির, যে বা যারা কারো অনুপস্থিতিতে কিংবা সামনাসামনি (হেয় করার উদ্যেশ্যে) সমালোচনামুখর।
সূরা হুমাযাহ: আয়াতনং ০১।
#২) মহান আল্লাহ তায়ালাসূরা হুজরাতের ১২ নম্বর আয়াতে বলেন, وَلَايَغْتَبْ بَعْضُكُمْ بَعْضًا أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَنْ يَأْكُلَ لَحْمَ أَخِيهِمَيْتًا فَكَرِهْتُمُوهُ ‘আর তোমরা কেউ কারো (গোপনে বা প্রকাশ্যে) গীবত করো না, তোমরা কি কেউ আপন মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়া পছন্দ করবে ? নিঃসন্দেহে এটাতো অত্যন্ত ঘৃণিত একটা কাজ।, (সূরা হুজুরাত:১২, আয়াত নং ১২)
#৩) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমবেত সাহাবাদের উদ্যেশ্যে এর ভয়াল পরিণতি তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, মিরাজের সময় আমাকে এমন এক দল লোকের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো যাদের নখ ছিল তামার। তারা নিজেরাই হিংস্রভাবে নিজেদের মুখমণ্ডল ও দেহ আঁচড়াচ্ছিল। আমি জিবরীল আঃ-কে জিজ্ঞাসা করলাম, এই অভিশপ্ত লোকগুলো কারা? তিনি জবাবে জানিয়ে দিলেন, এরা হচ্ছে আপন ভাইদের গীবত কারী। (মাজহারি)
নাউযুবিল্লাহি মিনজা-লিকা। আমরা নিজেদেরকে মুসলিম (আল্লাহর বিধানের কাছে পরিপূর্ণ আত্মসমর্পনকারী) দাবী করা সত্বেও কতইনা অবলিলায় এমন ভয়ংকর ধ্বংস অনিবার্য পাপীদের দলভুক্ত হয়ে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত?
কখনোকি ভেবে দেখেছি এমন ভয়ংকর অপরাধ থেকে বেচে থাকার জন্য আমাদের ব্যাক্তিগত আর সামস্টিক চেস্টা বা কার্যকর উপায়গুলো কি অথবা কেমন হতে পারে?
সূরা হুমাযাহ: আয়াতনং ০১।
#২) মহান আল্লাহ তায়ালাসূরা হুজরাতের ১২ নম্বর আয়াতে বলেন, وَلَايَغْتَبْ بَعْضُكُمْ بَعْضًا أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَنْ يَأْكُلَ لَحْمَ أَخِيهِمَيْتًا فَكَرِهْتُمُوهُ ‘আর তোমরা কেউ কারো (গোপনে বা প্রকাশ্যে) গীবত করো না, তোমরা কি কেউ আপন মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়া পছন্দ করবে ? নিঃসন্দেহে এটাতো অত্যন্ত ঘৃণিত একটা কাজ।, (সূরা হুজুরাত:১২, আয়াত নং ১২)
#৩) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমবেত সাহাবাদের উদ্যেশ্যে এর ভয়াল পরিণতি তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, মিরাজের সময় আমাকে এমন এক দল লোকের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো যাদের নখ ছিল তামার। তারা নিজেরাই হিংস্রভাবে নিজেদের মুখমণ্ডল ও দেহ আঁচড়াচ্ছিল। আমি জিবরীল আঃ-কে জিজ্ঞাসা করলাম, এই অভিশপ্ত লোকগুলো কারা? তিনি জবাবে জানিয়ে দিলেন, এরা হচ্ছে আপন ভাইদের গীবত কারী। (মাজহারি)
নাউযুবিল্লাহি মিনজা-লিকা। আমরা নিজেদেরকে মুসলিম (আল্লাহর বিধানের কাছে পরিপূর্ণ আত্মসমর্পনকারী) দাবী করা সত্বেও কতইনা অবলিলায় এমন ভয়ংকর ধ্বংস অনিবার্য পাপীদের দলভুক্ত হয়ে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত?
কখনোকি ভেবে দেখেছি এমন ভয়ংকর অপরাধ থেকে বেচে থাকার জন্য আমাদের ব্যাক্তিগত আর সামস্টিক চেস্টা বা কার্যকর উপায়গুলো কি অথবা কেমন হতে পারে?
আল্লাহ তায়ালা তো আমাদেরকে পবিত্র কালামে হাক্বিমে অত্যন্ত সুস্পস্টভাষায় সতর্ক করে দিয়েছেন এভাবে: হে ঈমানদারগন তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে নিজেরাও বাচ পরিবার পরিজন (বন্ধু)দেরকেও বাচাও।
ইনশাআল্লাহ: আল্লাহতায়ালা আমাকে তাঁর নেয়ামত স্বরুপ অতি সামান্য যে জ্ঞানটুকু দিয়েছেন তার সদ্ব্যাবহার করতে নিজের আত্মসংশোধন ও ভার্চুয়াল/ বাস্তবের বন্ধুজনদেরকে সতর্ক করতে ধারাবাহিক কয়েক পর্বে পবিত্র কোরআন ও বিশুদ্ধ হাদীসের রেফারেন্স ভিত্তিক 'পরনিন্দা, পশ্চাতসমালোচনা, গীবত ও চোগলখুরি' সম্পর্কিত ডিটেইল আলোচনা তুলে ধরার চেস্টা করব।
জ্ঞানী বন্ধুদের কাছে সার্বিক (অনিচ্ছাকৃত ভূলের) সমালোচনা (তত্ব ও তথ্য দিয়ে) সহযোগিতা ও অনুসন্ধিৎসু জনদেরকাছ থেকে উদ্ভুত যে কোন প্রশ্ন সবিনয়ের সাথে কামনা করছি।
-----ওয়া মাত্তাওফিক্বিইল্লা বিল্লাহ।
[ দুনিয়াতে সবচেয়ে কঠিনকাজ হচ্ছে নিজের সংশোধন আর সবচেয়ে সহজ কাজ অন্যের সমালোচনা করা। হযরত আলী (রা:)]

0 comments: