
রাত বাজে তিনটা!
নির্ঘুম চোখে সারাদিনের আনেক্সপেকটেড হেপেনিংগুলো রিভিউ হচ্ছে একে একে আনমনে!
শারীরিক ক্লেদ আর মানসিক ঔদাসীন্যতা পাশ কাটিয়ে পিসিটা অন করতেই---
:-হ্যাল্লু!
-:জ্বী হেলতে আছি! বলুন!
:-হ্যা হ্যা হ্যা! =p~ =p~ হেলতেই থাকুন!
-:আরে-- আরে-- আর কত হেলব? হেলতে হেলতে পইরা যামু তো?:|
:- পরেন! তবে বেশী জোড়ে পইরেন না! য়্যাত্ত রাইতে পইরা ব্যাথা পাইলে এই ঢাকা শহরে খুব সহজে ওষুধও পাবেন না!
-:ঠিক বলেছেন! আপনি কে বলছেন? প্লিজ? :B#
:- আমি এলিয়েন! আধার রাতের নিস্তব্ধতা ভেদ করে আকাশ থেকে নক্ষত্রের পথ ধরে ক্ষনিকের জন্য আপনাদের ইট কাঠের জঙ্গলে উদয় হই আবার পরক্ষনেই অসীমের শুন্যতায় মিলিয়ে যাই!
-: আপনার পরিচয়টা দেন প্লিজ!
:- বল্লাম তো এলিয়েন! পরিচয় জানতে না চেয়ে চলুন কিছুক্ষন এই নিস্তব্ধ প্রকৃতিকে মনের জানালায় উপভোগ করি!
তার আগে বলুন কি করছিলেন?
:- টাইপিং করছিলাম!
-:না মানে সচরাচর আপনি কি করেন?
:- অনেক কিছুইতো করি! এই ধরেন নিয়মিত দাত মাজি! প্রতিদিন কমপক্ষে একবার গোসল করি! মাঝে মাঝে একা একা গভীর রাতে ফুটপাত ধরে বাসা তেকে ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকার দুরত্ব মাপি! অবশ্য কখনও কখনও সময় পেলে উদাস মনে জোত্সনা ও দেখি!
এই আর কি?
-: হে হে হে! আপনি তো দারুন মজার লোক! নাহ বলছিলাম কি? বাই প্রফেশন কি করেন?
:- দিনের বেলা বেকারই থাকি বলতে পারেন!
-: আর রাতের বেলা?
:- একটা কোমল যন্ত্রের কারখানায় বসে বসে জাল বুনি!
-: জাল বুনে কি হয়?
:- বেশী বেশী জাল বুনলে বেশী বেশী টাকা আসে! টাকা দিয়ে কি করেন?
-:আরে আরে এ তো দেখছি রীতিমত কাঠগড়ায় জেরা শুরু করছেন আপনি?
:- ওহ! নু-----------! আপনি য়্যাত্ত সহজে রেগে যান তাতো যানতাম না?
-: আজ মেজাজটা এমনিতেই চরম! মন ভাল নেই! এর উপ্রে আপনি শুরু করলেন ধারাবাহিক পুলিশীয় রিমান্ড!
:- আপনার মন ভাল নেই কেন, জানতে পারি?
-: আপনার জেনে লাভ কি?......................................! আচ্ছা তারপরও বলি! গতবছরের ঠিক এই দিনে একটা লালবুড়ি আমারে ছেড়ে চলে গ্যাছে!
:- লালবুড়ি আপনার কে হত?
-: নাহ! তেমন কেউই না! ইউনি লাইফের জাবরীয় শুন্যতা ঢেকে সে এসেছিল আমার অন্তরে লীন হতে! বলেছিল ছোট ছোট দুঃখগুলো ফুত্কারে উড়িযে দিয়ে একসাথে অনেকটা দুর পথ চলবে আর্মিদের মত একই ছন্দলয়ে!
সারাদিনের রোবটিক কর্মচঞ্চলতায় ঝমাট বাধা অনুভুতিগুলো ইথারে ভাসিয়ে দেবে স্তব্ধরাতের নির্জনে, মুঠুফোনে!
:- এখন সে কোথায়? কি করে?
-: মিলিয়ে গ্যাছে দুরের শুন্যতায়!
ঠিক যে ক্ষিপ্রতায় এসেছিল, চলে গেছে তারও চেয়ে দ্রুততায়! আপেক্ষিত নির্ভারতার আশ্রয় পেতে কোন এক বৈদেশীর সাথে!ঘাট বেধে!
:- ঈদানিংকার মেয়েগুলো বেশীরভাগ এমনই হয়! আবেগের বিশালতা তেমন একটা স্পর্শ করেনা এদেরকে! যে যাবার সে তো চলেই গেছে! মন খারাপ করে লাভ কি বলুন? চলুন আপনাকে এলিয়েনদের জগতে একবার ঘুরিয়ে নিয়ে আসি!
-: সত্যি বলছেন? আমাকে এলিয়েনদের জগতে ঘুড়তে নিয়ে যাবেন? তাহলে কি করতে হবে আমাকে ?
:- প্রতিদিন একটা একটা কইরা একদিক থেকে আকাশের তারা গুলো গোনা শুরু করেন! যেদিন সবগুলো তারা গোনা শেষ হবে! সেদিন আপনার বাসার ছাদে গিয়া দেখবেন একটা লালঘোড়া জাবর কাটছে, ঘোড়ার জিন হাতে দাড়িয়ে থাকবে একটা লালবুড়ি! তার সংগে চলে আসবেন আমাদের জগতে, আমি আপনাকে অভ্যর্থনার জন্যে অপেক্ষায় থাকব নিত্যদিন!
সেই থেকে...
সময় পেলে উদাস মনে দেখি জোত্সনা! গুনে যাই তারাগুলো এক দুই তিন!

ভাইজান, লালবুড়ি আপনাকে মধ্যরাতে তারা করে ফিরছে, যা আজ একবছর। এলিয়েন বলেন আর পুলিশের রিমান্ড বলেন লালবুড়ির সেই ছুট-বড় দুঃখগুলো উড়িয়ে দেয়ার স্বপ্ননেশা কাটার জন্য দ্বিগন্তজোরা তারা গুনেগুনে আর একটা লালবুড়ির সাথে এলিয়েন জগতে গিয়ে ডুব দিতে চাইছেন? না সারাজীবন একা একা কাটিয়ে দিবার পণকরছেন, যাই করুন।
ReplyDeleteআপনার জন্যও আর এক লালবুড়ি নতুন করে অপেক্ষা করছে তা হয়তো আপনি জানেন না। তাই বলি এলিয়েন না, হয়তো কোন এক সকালেই পাবেন আপনার জন্য লালগোলাপ হাতে করে লালশাড়ি পড়ে দাঁড়িয়ে আছে...... এক লালবুড়ি।
Dear Bro,
ReplyDeleteFirst of all i would like to say you sorry for late replay.
I m really Waiting for lalburi. who will make my usringkhol life like a well decorated garden.
many many Thx bro 4 commenting here. hope our concept sharing will be very smooth.